ভারতের
চিকেনস নেক খ্যাত শিলিগুড়ি
করিডোর প্রসঙ্গ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ
করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিলিগুড়িতে নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে মোদি অভিযোগ
করেছেন, শিলিগুড়ি করিডরকে আলাদা করার চেষ্টা করছে
কিছু টুকরো টুকরো গ্যাং। এর পিছনে রয়েছে
মমতা ব্যানার্জির তোষণের রাজনীতি।
রোববার
(১২ এপ্রিল) শিলিগুড়ির কাউয়াখালীতে নির্বাচনি প্রচারণা থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘শিলিগুড়ি ভারতের জাতীয় সড়ক সুরক্ষার ক্ষেত্রে
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিলিগুড়ি করিডোর কেবলমাত্র শব্দ নয়, তৃণমূলের
সরকার তোষণের রাজনীতির কারণে ভোট ব্যাংককে খুশি
করতে এই কাজ করেছে।’
এ
সময় মোদি বলেন, ‘গোটা
দেশে একটা টুকরো টুকরো
গ্যাং আছে। এই গ্যাং
শিলিগুড়ি করিডোরকে দেশ থেকে আলাদা
করার হুমকি দিয়েছে। তোষণের রাজনীতির কারণে এই তৃণমূল সরকার
এইসব লোকদের সড়ক থেকে একেবারে
সংসদ পর্যন্ত সমর্থন দেয়। এটাই তৃণমূলের আসল
চেহারা।’
তোষণের
রাজনীতির ‘উদাহরণ’ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন
আগে রাজ্য সরকারের বাজেটে মাদরাসার উন্নয়নে তৃণমূল সরকার ৬০০০ কোটি রুপির
অর্থ বরাদ্দ করেছে। অথচ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের
জন্য বাংলার সরকার বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করেনি।’
এদিকে
নির্বাচনি প্রচারণায় থেকে ভারতীয় জনতা
পার্টিকে (বিজেপি) নিশানা করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
মমতা ব্যানার্জি বলেছেন,’'যারা বাংলা বিরোধী,
সেই বিজেপিকে একটি ভোটও দেবেন
না। তাদের কোন অধিকার নেই
বাংলায় এসে ভোট চাওয়ার।’
মমতার
দাবি, ‘২০২৪ সালের লোকসভা
নির্বাচনে এই ভোটার তালিকা
দিয়েই ভোট করে প্রধানমন্ত্রী
হয়েছেন, তাই আগে আপনি
পদত্যাগ করুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হয়েছিলেন, ক্ষমতা থাকলে, হিম্মত থাকলে তারও পদত্যাগ করা
উচিত।’
আগামী
২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল
পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর ৪
মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

logo-2-1757314069.png)
