খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩২
ইরানর
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী
খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি
গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের সরকারি
বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজের বরাতে জানা গেছে এ
তথ্য।
রোববার
বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে
তেহরান খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করার
পর এক বিবৃতিতে আইআরজিসির
পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,
“আমরা একজন মহান নেতাকে
হারিয়েছি এবং আমরা তার
জন্য শোকাহত। মানবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে
আমাদের মহান নেতার এই
শাহাদাৎ বরণ প্রমাণ করে
যে তার ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব
এবং দেশপ্রেম তাদের জন্য আতঙ্কজনক হয়ে
উঠেছিল।”
“যাদের হাতে
আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন–
তাদের এই জাতি ছাড়বে
না। ইরান প্রতিশোধ নেবে
এবং আইআরজিসি দেশি-বিদেশি যে
কোনো ষড়যন্ত্র-কে নির্মূল করতে
বদ্ধ পরিকর।”
গতকাল
২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান
শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং
ইসরায়েল। তারপর গতকাল রাতেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান যে খামেনি নিহত
হয়েছেন। তার পর যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন।
আজ
রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে
খামেনি নিহত হওয়ার তথ্য
স্বীকার করেছে ইরান।
৮৬
বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী
খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে
খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর
এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই
ইরানের সরকার চলতো।
১৯৭৯
সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ
রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে
ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি
বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট
দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব
দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন
ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
১৯৮৯
সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি।
তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয়
সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ
আলী খামেনি।
সূত্র
: আলজাজিরা

logo-2-1757314069.png)
