Logo
×

খেলা

মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের সামনে বিশাল টার্গেট

Icon

মেহেদী হাসান

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ২২:৫৬

মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের সামনে বিশাল টার্গেট

মুশফিকুর রহিমর অনবদ্য সেঞ্চুরিতে সিলেট টেস্টে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। দ্বিতীয় ইনিংসে সব উইকেট হারিয়ে ৩৯০ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানের লিড মিলিয়ে এখন পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলর সামনে লক্ষ্য ৪৩৭ রান।


টেস্ট ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে মাত্র একবার। ফলে সিলেট টেস্টে টিকে থাকতে হলে ইতিহাস গড়তেই হবে পাকিস্তানকে।


তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন মুশফিক। ১৩৭ রান করা এই অভিজ্ঞ ব্যাটার সাজিদ খানর বলে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাসর হাতে ক্যাচ দেন। অন্যপ্রান্তে কোনো রান না করেই অপরাজিত ছিলেন নাহিদ রানা।


এরপর ব্যাট করতে নেমে দুই ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে শূন্য রান নিয়ে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান।


বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের ভিত গড়ে দেন মুশফিক ও লিটন কুমার দাস। দুজন মিলে ষষ্ঠ উইকেটে যোগ করেন ১২৩ রান। লিটন ৬৯ রান করে হাসান আলীর বলে আউট হলে ২৩৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।


এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও দারুণ সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম। অষ্টম উইকেটে তাদের ৭২ রানের জুটি বাংলাদেশের লিড আরও বড় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


তাইজুল ২২ রান করে ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস বড় করতে থাকেন মুশফিক। শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ৬ এবং শরীফুল ইসলাম ১২ রান যোগ করেন।


এই ইনিংসেই ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। এর মাধ্যমে মুমিনুল হককে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক এখন তিনিই। ১২টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো ১৩৭ রানের ইনিংসটি ছিল ধৈর্য, অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ।


দিনের শুরুতে অবশ্য দ্রুতই ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ রান করে খুররম শাহজাদর বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন।


এর আগে প্রথম দিনেই তানজিদ হাসান তামিম ৪ ও মুমিনুল ৩০ রান করে ফিরেছিলেন। তবে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৫২ রান করে দলের রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেন।


বল হাতে পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন খুররম শাহজাদ। তিনি নিয়েছেন চার উইকেট। সাজিদ খানের ঝুলিতে গেছে তিনটি উইকেট। এছাড়া হাসান আলী পেয়েছেন দুটি এবং মোহাম্মদ আব্বাস নিয়েছেন একটি উইকেট।