Logo
×

খেলা

চেলসি কে ১-০ গোলে হারিয়ে এফ কাপ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি

Icon

মেহেদী হাসান

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১৬:৫৩

চেলসি কে ১-০ গোলে হারিয়ে এফ কাপ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি

গত দুই আসরের ফাইনালের হতাশা এবার আনন্দে বদলে দিল ম্যানচেস্টার সিটি। ওয়েম্বলির চেনা মঞ্চে দুর্দান্ত এক লড়াইয়ে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে আবারও এফএ কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল।


সিটির জয়ের নায়ক ছিলেন আন্তনি সেমেনিও। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর অসাধারণ ব্যাকহিল ফিনিশই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। সেই একমাত্র গোলেই দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও এফএ কাপ জয়ের স্বাদ পেল সিটিজেনরা।


টানা চতুর্থবারের মতো এফএ কাপের ফাইনালে উঠে এবার অষ্টম শিরোপা ঘরে তুলল ম্যানচেস্টার সিটি। এর আগে মৌসুমে কারাবাও কাপ জেতায় এবার ‘ডাবল’ও নিশ্চিত হলো ইতিহাদের ক্লাবটির।


অন্যদিকে ক্লাব ইতিহাসে ১৭তমবারের মতো এফএ কাপের ফাইনালে ওঠা চেলসির হতাশা আরও বাড়ল। সবশেষ সাত আসরের মধ্যে চারবারই রানার্স-আপ হয়ে মাঠ ছাড়তে হলো ব্লুজদের। মোট ১৭টি ফাইনালের মধ্যে আটবার শিরোপা জিতলেও বাকি নয়বার স্বপ্নভঙ্গ নিয়েই ফিরতে হয়েছে লন্ডনের ক্লাবটিকে।


ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ছিল সিটিরই। ৫৬ শতাংশ বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে মোট ৯টি শট নেয় গার্দিওলার দল, যার মধ্যে চারটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে চেলসি ৬টি শট নিলেও গোলমুখে রাখতে পেরেছে মাত্র একটি। শুরু থেকেই নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে থাকে সিটি। বলের দখল ধরে রেখে ধীরে ধীরে আক্রমণ সাজায় তারা। তবে চেলসির ডি-বক্সে গিয়ে শেষ মুহূর্তে বারবার ছন্দ হারাচ্ছিল আক্রমণগুলো। ওমর মারমুশ ও সেমেনিও কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও গোল আদায় করতে পারেননি।


এক পর্যায়ে আর্লিং হালান্ড বল জালে জড়িয়েও উল্লাস করতে পারেননি। আক্রমণের শুরুতে অফসাইড থাকায় রেফারি গোল বাতিল করে দেন।


চেলসি কোচ অ্যালেন ম্যাকফার্লেন শুরু থেকেই অপেক্ষাকৃত রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়েছিলেন। প্রতি-আক্রমণ থেকে সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা থাকলেও সিটির রক্ষণভাগে থাকা আবদুকোদির খুসানভ ও মার্ক গুয়েহি সেই পথ কার্যত বন্ধ করে দেন।


দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচ একই ছন্দে এগোচ্ছিল। কিন্তু মাঝামাঝি সময়ে সেমেনিওর দুর্দান্ত ব্যাকহিল ফিনিশ বদলে দেয় পুরো দৃশ্যপট। সেই গোলেই এগিয়ে যায় সিটি। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল চেলসি। তবে এনজো ফার্নান্দেজ ডি-বক্সের ভেতর ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় তাঁর ভলি জালের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ব্লুজরা।


শেষ বাঁশি বাজতেই ওয়েম্বলি জুড়ে শুরু হয় সিটির উৎসব। দুই মৌসুমের আক্ষেপ মুছে আবারও ইংল্যান্ডের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি নিজেদের করে নিল পেপ গার্দিওলার দল।