পরপর দুই মৌসুম ট্রফিশূন্য থাকার হতাশা, ড্রেসিংরুমে উত্তেজনা আর খেলোয়াড়দের মধ্যে দ্বন্দ্ব—সব মিলিয়ে অস্থির সময় পার করছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফেদেরিকো ভালভার্দে ও অরেলিন চুয়ামেনির সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এমনকি সংঘর্ষের জেরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালেও যেতে হয়েছে ভালভার্দেকে।
এই অবস্থায় অন্তর্বর্তী কোচ আলভারো আরবেলোয়ার ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্সেলোনার বিপক্ষে আসন্ন এল ক্লাসিকোর পরই নতুন কোচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে রিয়াল মাদ্রিদ।
সম্ভাব্য কোচদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন জোসে মরিনহো। রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পেরেজ বরাবরই মনে করেন, মরিনহোর সময় থেকেই রিয়ালের আধুনিক সাফল্যের ভিত তৈরি হয়েছিল।
বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে মরিনহোর কঠোর ব্যক্তিত্ব এবং ড্রেসিংরুম সামাল দেওয়ার অভিজ্ঞতা তাকে সবচেয়ে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছে। ক্লাবের ভেতরের উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশও তার ফেরার সম্ভাবনা আরও জোরালো করেছে।
তালিকায় রয়েছেন আর্জেন্টাইন কোচ মরিসিও পচেত্তিনোও। তাকেও পছন্দ করেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তবে সমর্থকদের আবেগের জায়গায় মরিনহোর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি।
রিয়াল সমর্থকদের বড় একটি অংশের পছন্দ ইয়ুর্গেন ক্লপ ও জিনেদিন জিদান হলেও দুজনের ফেরার সম্ভাবনা আপাতত কম। ক্লপ বর্তমানে কোচিং থেকে বিরতিতে আছেন, আর জিদান বিশ্বকাপের পর ফ্রান্স জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার অপেক্ষায় আছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া ফ্রান্সের বর্তমান কোচ দিদিয়ের দেশামের নামও আলোচনায় এসেছে। রিয়ালের ফরাসি খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক এবং সফল কোচিং অভিজ্ঞতা তাকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির নামও ঘুরে ফিরছে, যদিও ক্লাব ফুটবলে সীমিত অভিজ্ঞতা তার বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

logo-2-1757314069.png)
