শেষ মুহূর্তের লড়াইয়েও ভাগ্য বদলাতে পারল না বায়ার্ন মিউনিখ। ঘরের মাঠে ড্র করেও শেষ পর্যন্ত উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হলো তাদের। অন্যদিকে দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে থেকে আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পিএসজি।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা-তে সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ১-১ গোলে ড্র হয়। তবে প্রথম লেগের ফল মিলিয়ে ৬-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লুইস এনরিকের শিষ্যরা।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় পিএসজি। তৃতীয় মিনিটে উসমান দেম্বেলে গোল করে সফরকারীদের লিড এনে দেন। গোলটির পেছনে বড় ভূমিকা ছিল খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া-র, যিনি দারুণ কাট-ব্যাক থেকে সুযোগ তৈরি করেন। এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে তিনি একটি অনন্য রেকর্ডও গড়েন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক আসরে নকআউট পর্বে টানা সাত ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট করা প্রথম খেলোয়াড়।
প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বায়ার্ন। দুটি হ্যান্ডবলের জোরালো আবেদন করেও নাকচ করেন রেফারি৷ টাচলাইনে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি সহ পুরো ডাগ আউট কে।
বিরতির আগে আর তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বায়ার্ন। তাদের একমাত্র অন টার্গেট শটটি নেন জামাল মুসিয়ালা, যা ঠেকিয়ে দেন পিএসজি গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় দুই দলই। বায়ার্নকে বারবার হতাশ করেন পিএসজি গোলরক্ষক সাফোনভ। আবার পিএসজির একাধিক আক্রমণ ঠেকিয়ে নিজের দলকে লড়াইয়ে রাখেন নয়ারও।
শেষদিকে নাটকীয়তা বাড়ে। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে হ্যারি কেইন গোল করে সমতা ফেরান। আলফোঁসো ডেভিস-এর পাস থেকে দারুণ শটে জাল খুঁজে পান ইংলিশ স্ট্রাইকার। তবে ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
শেষ বাঁশি বাজতেই আনন্দে ভাসে পিএসজি শিবির। টানা দ্বিতীয়বার শিরোপার লড়াইয়ে নামার স্বপ্ন এখন তাদের সামনে। আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টে ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্সেনাল, যারা ২০ বছর পর আবারো ফাইনালে।

logo-2-1757314069.png)
