Logo
×

খেলা

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:১৯

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। সোমবার (২৭ এপিল) চট্টগ্রামে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে উইকেটের বিনিময়ে ১৮২ রান করে নিউজিল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়ায় তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ফিফটিতে ১২ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। 

 

নিয়ে নিউজিল্যান্ডে বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ দল। ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ১৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল টাইগাররা। অবশ্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২১৫ করে জিতেছিল টাইগাররা। 

 

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে কিউই বোলারদের সামনে ভুগতে থাকে বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান তানজিদ হাসান তামিম উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৪১ রান। রানের গতি বাড়াতে গিয়ে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে  নাথান স্মিথের শিকার হন সাইফ। ফেরার আগে ১৬ বলে ১৭ রান করেন তিনি।

 

আরেক ওপেনার তানজিদ করেন ২৫ বলে ২০ রান। এদিকে ১৫ বলে ২১ রানে থামেন দলনেতা লিটন দাস। ১০. ওভারে ৭৭ রান তুলতে উইকেট হারিয়ে খানিকটা ব্যাকফুটেই পড়ে বাংলাদেশ দল। এমতাবস্থায় চতুর্থ উইকেটে দলের ভরসা জোগায় চতুর্থ উইকেট জুটি। ২৮ বলে ৫৬ রান তোলেন তাওহীদ হৃদয় পারভেজ হোসেন ইমন। মাত্র ১৪ বলে ২৮ রান করে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ইমন।

 

পঞ্চম উইকেটে মাত্র ১৯ বলে ৪৯ রানের অপ্রতিরোধ্য পার্টনারশিপ গড়েন হৃদয়-শামীম। তাতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন হৃদয়। মাত্র ২৯ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি দুটি চার তিনটি ছয়ে সাজানো। আর মাত্র ১৩ বলে তিনটি চার দুটি ছয়ে ৩১ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলেন শামীম। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটি উইকেট পেয়েছেন ইশ সোধি। আর একটি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ জশ ক্লার্কসন।

 

এর আগেটস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় কিউইরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই তাওহিদ হৃদয়ের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার টিম রবিনসন।

 

তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শুরুর চাপ সামলে নেন ওপেনার কেতেন ক্লার্ক ড্যান ক্লেভার। এসময় দুজন মিলে গড়েন ৮৮ রানের জুটি। আর এই দুই কিউই ব্যাটারই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। মজার ব্যাপার আউট হওয়ার আগে দুজনই করেন ৫১ রান। ৩৭ বলে সাতটি চার একটি ছয়ে ৫১ রান করেন ক্লার্ক। আর মাত্র ২৮ বলে সাতটি চার একটি ছয়ে ৫১ রানে থামেন ক্লেভার।

 

এই দুই ব্যাটার সাজঘরে ফেরার পর খানিকটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত কয়েক উইকেট হারানোর পর রানের গতিও কিছুটা কমে যায়। প্রথম ১০ ওভারে ১০০ রান করা নিউজিল্যান্ড পরের ওভারে করে মাত্র ৩০ রান। এর মাঝেই বেভন জ্যাকবস রানে ড্যান ফক্সক্রফট রানে আউট হন।

 

এরপর ফের একবার রানের চাকা সচল করেন অধিনায়ক নিক কেলি। কিন্তু ইনিংস শেষ করে ফিরতে পারেননি তিনি। শরিফুল ইসলামের করা বলে আউট হওয়ার আগে কিউই অধিনায়ক করেন ২৭ বলে ৩৯ রান। শেষদিকে জশ ক্লার্কসন ১৪ বলে ২৭ নাথান স্মিথ বলে রান করেন।

 

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনজন বোলার।