শুরুতেই একটু ধাক্কা খেয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। শিরোপা নিশ্চিত করার ম্যাচে পিছিয়ে পড়ায় মুহূর্তের জন্য চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে খুব বেশি সময় লাগেনি ঘুরে দাঁড়াতে। শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।
আগের দিন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হারে শিরোপা জয়ের পথ অনেক টাই পরিষ্কার হয়ে যায় বায়ার্নের জন্য। স্টুটগার্টের বিপক্ষে শুধু হার এড়ালেই চলত, কিন্তু তারা থামেনি, জয় দিয়েই উৎসব শুরু করে। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৪-২ গোলের জয়ে আরও একবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে জার্মানির সফলতম ক্লাবটি।
এই জয়ের মাধ্যমে বুন্ডেসলিগায় রেকর্ড ৩৫তম শিরোপা নিশ্চিত করল বায়ার্ন। ৩০ ম্যাচ শেষে ২৫টি জয় ও ৪টি ড্র নিয়ে তাদের পয়েন্ট এখন ৭৯। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৬৪।
তবে ম্যাচের শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। ২১তম মিনিটে স্টুটগার্টের ক্রিসের গোলে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। কিন্তু এরপরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে তিনটি গোল করে পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বায়ার্ন।
৩১তম মিনিটে রাফায়েল গেররেইরো সমতা ফেরান। এর দুই মিনিট পর নিকোলাস জ্যাকসন ডি-বক্সের ভেতর থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ৩৭তম মিনিটে আলফন্সো ডেভিস ব্যবধান আরও বাড়ালে বিরতির আগেই ম্যাচ অনেকটা নিজেদের করে নেয় বায়ার্ন।
দ্বিতীয়ার্ধে কোচ ভিনসেন্ট কম্পানি জামাল মুসিয়ালাকে উঠিয়ে হ্যারি কেইনকে নামান। মাঠে নেমে বেশি সময় নেননি ইংলিশ এই স্ট্রাইকার, মাত্র সাত মিনিটেই গোল করে দলের জয়ে নিজের নাম যোগ করেন।
এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত কেইনের গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২। বুন্ডেসলিগার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (৪১), যা রবার্ট লেভানদোভস্কির, তা ছুঁতে হলে বাকি চার ম্যাচে তাকে করতে হবে আরও ৯ গোল। যদিও সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার দৌড়ে তিনি অনেকটাই এগিয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্টুটগার্টের ডেনিস উন্দাভের গোল সংখ্যা ১৮।
যদি শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিততে পারেন, তাহলে বুন্ডেসলিগার ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা প্রথম তিন মৌসুমেই এই কীর্তি গড়বেন কেইন।
পুরো মৌসুমে দারুণ ছন্দে থাকা বায়ার্নের চোখ এখন ট্রেবল জয়ের দিকে। সামনে জার্মান কাপের সেমিফাইনালে বায়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে ম্যাচ, আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ পিএসজি।

logo-2-1757314069.png)
