রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:১৮
সিরিজ
নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ২৯১ রানের টার্গেট
দিয়ে শুরুতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং স্তম্ভ ভেঙ্গে দেন বাংলাদেশের পেসাররা।
এরপর একাই দলকে টানেন
সালমান আলি আগা। পাকিস্তানকে
জয়ের দ্বারপ্রান্তেই নিয়ে যান তিনি।
কিন্তু শেষদিকের রোমাঞ্চে ১১ রানে জিতে
যায় বাংলাদেশ। তাতেই ২-১ ব্যবধানে
সিরিজও জিতলেন মেহেদি হাসান মিরাজরা।
এর
মাধ্যমে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টানা সিরিজ জেতার
নজিরও গড়ল বাংলাদেশ। সবশেষ
২০১৫ সালে একে অপরের
বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ-পাকিস্তান। সেবার পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে
হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
রান
তাড়া করতে নেমে শুরুটাই
ভালো হয়নি পাকিস্তানের। বাংলাদেশের
দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার
দাপুটে বোলিংয়ে শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে
চাপে পড়ে সফরকারীরা। মাত্র
১৭ রানেই হারায় প্রথম তিন উইকেট। ইনিংসের
প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে (৬) ফেরান তাসকিন।
পরের ওভারে নাহিদ রানা আউট করেন
মাজ সাদাকাতকে (৬)। আর
নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে রিজওয়ানকে (৪)
ফেরান তাসকিন।
চাপে
পড়া দলের হাল ধরার
চেষ্টা চালান গাজি ঘুরি ও
আব্দুল সামাদ। তবে প্রতিরোধটা ভালোভাবে
করতে পারেননি তারা। ৩৯ বলে ২৯
রানে ঘোরি ও ৪৫
বলে ৩৪ রানে সামাদ
আউট হন।
এর
মাধ্যমে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টানা সিরিজ জেতার
নজিরও গড়ল বাংলাদেশ। সবশেষ
২০১৫ সালে একে অপরের
বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ-পাকিস্তান। সেবার পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে
হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
রান
তাড়া করতে নেমে শুরুটাই
ভালো হয়নি পাকিস্তানের। বাংলাদেশের
দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার
দাপুটে বোলিংয়ে শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে
চাপে পড়ে সফরকারীরা। মাত্র
১৭ রানেই হারায় প্রথম তিন উইকেট। ইনিংসের
প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে (৬) ফেরান তাসকিন।
পরের ওভারে নাহিদ রানা আউট করেন
মাজ সাদাকাতকে (৬)। আর
নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে রিজওয়ানকে (৪)
ফেরান তাসকিন।
চাপে
পড়া দলের হাল ধরার
চেষ্টা চালান গাজি ঘুরি ও
আব্দুল সামাদ। তবে প্রতিরোধটা ভালোভাবে
করতে পারেননি তারা। ৩৯ বলে ২৯
রানে ঘোরি ও ৪৫
বলে ৩৪ রানে সামাদ
আউট হন।
একশর
আগেই ৫ উইকেট হারিয়েছিল
পাকিস্তান। বিপদের সময় দলের হাল
ধরেন সালমান আলি আগা। তাকে
সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন সাদ
মাসুদ। অভিষিক্ত এই ব্যাটার দারুণ
শুরু পেয়েছিলেন। তবে ৩৮ রানে
তাকে থামিয়েছেন মুস্তাফিজ। দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড করেন এই বাঁহাতি
পেসার। তাতেই ৭৯ রানে থামে
সালমান-মাসুদের জুটি।
ক্রিজে
নেমে দেখে-শুনেই খেলছিলেন
ফাহিম আশরাফ। সালমানের সঙ্গে আরেকটি জুটি গড়ার প্রয়াস
চালান তিনি। কিন্তু সেই সুযোগ দেননি
তাসকিন আহমেদ। বাঁহাতি এই ব্যাটারকে বোল্ড
করে সাজঘরে পাঠান তিনি। আউট হওয়ার আগে
৯ রান করেন ফাহিম।
এরপরও
হাল ছাড়েননি সালমান আগা। এবার দলনেতা
শাহিন শাহ আফ্রিদিকে নিয়েই
দলকে টানতে থাকেন। অর্ধশতক পূরণের পর শতকও তুলে
নেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
দলকে নিয়ে যান জয়ের
দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু তার সেই আশা
পূরণ করতে দেননি তাসকিন
আহমেদ। ১০৬ রানে থামেন
তাসকিন। ৪৯তম ওভারে দুটি
ছক্কা হাঁকিয়ে আবারও পাকিস্তানকে জয়ের স্বপ্ন দেখান
শাহিন। এরপরও হেরে যায় সফরকারীরা।
পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৭৯ রানে।
আর শেষ বলে আউট
হওয়ার আগে শাহিন করেন
৩৭ রান।
বাংলাদেশের
সবচেয়ে সফল বোলার তাসকিন
আহমেদ। একাই চারটি উইকেট
নেন তিনি। মুস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন তিনটি উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানা দুটি ও
রিশাদ একটি উইকেট নেন।
এর
আগে মিরপুর শের-ই বাংলা
জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে
ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান
পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। ব্যাট
করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা
পায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৫ রান।
ইনিংসের ১৯তম ওভারে শাহীন
আফ্রিদিকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে
বলের লাইন মিস করে
বোল্ড হন সাইফ। সাজঘরে
ফেরার আগে তার ব্যাট
থেকে এসেছে ৫৫ বলে ৩৬
রান।
দুর্দান্ত
শুরুর পর সাইফের মতো
ইনিংস বড় করতে পারলেন
না নাজমুল হোসেন শান্ত। হারিস রউফের করা বলে আউট
হওয়ার আগে করেন ২৭
রান।
এদিকে
অভিষেক সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ওপেনার
তানজিদ হাসান তামিম। মাত্র ৪৭ বলে ফিফটি
করেছিলেন তিনি। পরের ফিফটি করতে
খেলেছেন ৪৯ বল। সবমিলিয়ে
৯৮ বলে তিন অঙ্ক
ছুঁয়েছেন। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির পর আর বেশিক্ষণ
টিকতে পারেননি তামিম। আবরারের কিছুটা খাটো লেংথের বলে
কাট করতে গিয়ে কাভারে
শাহিন আফ্রিদির হাতে ধরা পড়েন
তিনি। তার ব্যাট থেকে
এসেছে ১০৭ বলে ১০৭
রান। ইনিংসে ৬টি চার ও
৭টি ছক্কার মার ছিল।
চতুর্থ
উইকেটে দারুণ জুটি উপহার দেন
লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ
হৃদয়। এসময় দুজন মিলে
তোলেন ৬৮ রান। তাতেই
বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায়
দল। হারিস রউফের বলে আউট হওয়ার
আগে ৪১ রান করেন
লিটন দাস। আর পরের
উইকেটে নেমে রানের দেখা
পাননি রিশাদ হোসেন। প্রথম বলেই বোল্ড হন
তিনি।
এরপর
আফিফকে নিয়ে ইনিংস শেষ
করেন তাওহীদ হৃদয়। তিনি অপরাজিত থাকেন
৪৪ বলে ৪৮ রানে।
আর ৫ রানে অপরাজিত
থাকেন আফিফ।
পাকিস্তানের
হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হারিস রউফ।
আবরার ও শাহিন শাহ
আফ্রিদি নেন একটি করে
উইকেট।

logo-2-1757314069.png)
