"তারেক রহমানের নিরাপত্তা বেহুলার বাসরঘরের মতো যেন ছিদ্র না থাকে"
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:৫৩
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় কোনো ধরনের ফাঁক যেন না থাকে। তারেক রহমানের নিরাপত্তা হতে হবে সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র। বেহুলার বাসরঘরের মতো যেন কোনো ছিদ্র না থাকে।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর লালমাটিয়ায় মহিলা কলেজের পাশে গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী ফিরোজা আক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। বারবার বলেছি— চেয়ারম্যানের নিরাপত্তার বিষয়টি সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। আপাতদৃষ্টিতে আমরা সেই মাত্রার উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছি না।
তিনি জানান, গতকাল গুরুতর আহত পরিবারের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় একজন মায়ের আকুতি ও বুকভাঙা কান্না দেখে চেয়ারম্যান গভীরভাবে বিচলিত হন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্টেজে আমাকে এবং আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন— আজই ঢাকায় তিনি যে বাসায় অবস্থান করছেন, সেখানে গিয়ে ওই পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবং তাদের সমস্যাগুলো বিস্তারিতভাবে জানার জন্য। রিজভী বলেন, আজ আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে কিছু সহযোগিতা নিয়ে এসেছি। আমরা শহীদ ফিরোজের পরিবারের কাছে এসেছি। শহীদ ফিরোজ রাজশাহীর গোয়ালিয়া থানার বাসিন্দা। ৫ আগস্ট পলাতক ফ্যাসিবাদ বিদায়ের সময়ও নির্বিচারে মানুষ হত্যা করতে করতে গেছে, শহীদ ফিরোজ তারই আরেকটি নির্মম নিদর্শন।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি জানান, বর্তমানে শহীদ ফিরোজের পরিবার রাজশাহী থেকে ঢাকায় এসে আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করছেন। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, খোঁজখবর নিয়েছি এবং ঠিকানা সংগ্রহ করেছি। বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিকভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হবে। রিজভী বলেন, শহীদ ফিরোজের দুটি সন্তান রয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ ও লেখাপড়া নিয়ে তাদের দাদি, অর্থাৎ ফিরোজের মা অত্যন্ত উৎকণ্ঠিত। এই বিষয়গুলো আমরা অবহিত হয়েছি, নোট নিয়েছি এবং গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেছি। তিনি আরও বলেন, আজ আমরা সবাই এখানে উপস্থিত হয়েছি এই পরিবারটির সব বিষয় জানার জন্য, যাতে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় থাকে এবং শহীদ পরিবার কোনোভাবেই বঞ্চিত না হয়। শহীদ ফিরোজের রেখে যাওয়া সন্তানদের লেখাপড়া যেন বন্ধ না হয়, সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।

logo-2-1757314069.png)
