আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১ জুন) বাদ মাগরিব এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে জানাজা শেষ হলে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমাগারে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স রওনা হলে চারপাশে ঘিরে আওয়ামী লীগের কর্মীরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে থাকেন।
পুলিশের বাধার মুখে স্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ ১৫ থেকে ২০ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় ২০ মিনিটের মতো অ্যাম্বুলেন্স ঘিরে রেখে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। এর আগে অনুষ্ঠিত জানাজায় আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের চেয়ারম্যান কাদের সিদ্দিকী, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরী, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রমুখ অংশ নেন।
তোফায়েল আহমেদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে তার মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) হেলিকপ্টার বা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে করে তাকে ভোলায় নেওয়া হবে। জোহরের নামাজের পর ভোলা জিলা স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তোফায়েল আহমেদ মারা যান।

logo-2-1757314069.png)
