শাহবাগ থানার ভেতর ঢুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানার ভেতরে মুসাদ্দিকসহ ঢাকসুর আরেক নেতা এ বি জুবায়েরও আটকা পড়েন। পরবর্তীতে ডাকসু নেত্রী জুমার সঙ্গে থানা থেকে বের হন মুসাদ্দিক।
জানা গেছে, ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি ও জাইমা রহমানকে কটূক্তির প্রতিবাদে সন্ধ্যায় শাহবাগে অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এক পর্যায়ে জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের নেতৃত্বে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। হামলার মুখে থানার ভেতরে আশ্রয় নেন ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক ও জুবায়ের। ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও মাস্টারদা সূর্যসেন হলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভিও শাহবাগ থানার ভেতরে যান। বাইরে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল বুধবার ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হেনস্তা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং দাঁত ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে তাকে। ঢাবির প্রক্টর অফিসের সামনে সংবাদ সম্মেলনে মুসাদ্দিক আলী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, বুধবার বেলা ১টা ২৫ মিনিট থেকে ১টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে কলা ভবনের পেছনের ফটকের সামনে ক্লাসে যাওয়ার পথে আলাউদ্দিনসহ আরো কয়েকজন তার পথ রোধ করেন। পথ রোধ করে দাঁড়ালে আমি জিজ্ঞেস করি যে কী হইছে ভাই? আপনি কে? আমি তাকে চিনতে পারছিলাম না।
সে আমাকে প্রথমেই বলে, তুই আমাকে চিনতে পারতেছিস না? এরপর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বলে আমার দাঁত ফেলে দেবে। ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক আরো অভিযোগ করেছিলেন, আলাউদ্দিন তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এক পর্যায়ে মারতে যান। এ সময় সঙ্গীরা তাকে সরিয়ে নিলেও বারবার তেড়ে এসে হামলার চেষ্টা করেন এবং যাওয়ার সময় হুমকি দেন।

logo-2-1757314069.png)
