Logo
×

রাজনীতি

ব্যাংক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সবখানে দখলদারি শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াত আমির

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৩১

ব্যাংক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সবখানে দখলদারি শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াত আমির

বিরোধী দলীয় নেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি ওয়াদা দিয়েছিল ৩১ দফা সংস্কারের কথা, যার প্রথম দফাই ছিল সংবিধান সংস্কার। এখন তারা তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা বলেছিল স্থানীয় সরকার পর্যায়ে কোনো অনির্বাচিত প্রতিনিধি মানবে না। অথচ এখন সব জায়গায়বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে ক্রিকেট বোর্ড, জেলা পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয়সব জায়গায় দখলদারি শুরু হয়েছে। তারা আবার সেই একদলীয় শাসন জনগণের ঘাড়ে চাপাতে চায়।


সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জুলাই শহীদ পরিবার জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন। 


তিনি বলেন, যেদিন আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বের হয়ে আসি, সেইদিন সত্যিকার অর্থে ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি। আমরা তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম। গণভোটের রায় অমান্য করার দিনও আমরা ওয়াকআউট করে বলেছিসংসদে সমাধান হয়নি, যেই জনগণ রায় দিয়েছে আমরা এখন সেই জনগণের কাছে ফিরে যাচ্ছি।


তিনি আরও বলেন, গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশনযা মানুষের জীবনের সঙ্গে এবং নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত, সেই সবকিছু তারা গায়ের জোরে প্রত্যাখ্যান করল। ৪০ মিনিটের ডিবেটে যখন বুঝতে পারলাম যে তারা বিচার মানে কিন্তু তালগাছ ছাড়বে না, তখনই আমরা ধিক্কার এবং নিন্দা জানিয়ে সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছি।


জামায়াত আমির বলেন, একটা জীবন আল্লাহ দিয়েছেন, লড়াই করব, জীবন দেব, শহীদ হবতবুও মিথ্যার সামনে ইনশাআল্লাহ মাথা নত করব না। সংসদেও করব না, রাজপথেও করব না। কি হবে শেষ পর্যন্ত? এক ভাই বলেছে ফাঁসিতে ঝুলাবে; হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তার উপর দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ। ওগুলো আমরা পরোয়া করি না।


জামায়াত আমির আরও বলেন, সর্বশেষ জুলাই জাদুঘর নিয়ে কি হয়েছে দেখেন! এই জাদুঘরটা হবে জাতির সম্পদ। ঐকমত্য পরিষদে এবং বিশেষ কমিটিতে সবাই একমত হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ সংসদের ভেতরে সমস্ত রীতিনীতি ভঙ্গ করে সরকারি দল এটাকে দলীয়করণ করার জন্য সংশোধন দিয়ে বসল। তারা বলল এটা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে। আমরা প্রতিবাদ করে বললামএটি কোনো সাধারণ জাদুঘর নয়, এটা গোটা জাতির '৪৭ থেকে শুরু করে '২৪ পর্যন্ত ঐতিহাসিক সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। এটাকে রাজনীতিকরণ করবেন না।


সেই যন্ত্রণা ঘৃণা নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কথা দিচ্ছি, যতদিন সংসদের ভেতরে লড়াই করতে পারব ততদিন থাকব, এর বাইরে এক মিনিটও থাকব না। রাজপথ আমাদের মূল ঠিকানা। সংসদে এই দেশের মানুষ পরিবর্তনের আশায় আমাদের পাঠিয়েছে। সেই পরিবর্তন যদি না করতে পারি, তবে সেই সংসদ দিয়ে আমাদের কাজ নেই।