Logo
×

রাজনীতি

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৮

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা কেউই চিরস্থায়ী নই। কিন্তু নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন। তারা যেন জানে এই দেশ কোথা থেকে এলো, কীভাবে যুদ্ধ হয়েছে। যুদ্ধ তো একটা না, সামনে আরও যুদ্ধ আসবে। আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ যেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। এসময় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান, বীর উত্তম, ক্যাপ্টেন (অব.) নুরুল হুদা, মেজর (অব.) সৈয়দ মুনিবুর রহমান, মেজর (অব.) কাইয়ুম খান, সাদেক আহমেদ খান, হাবিবুল আলম, বীর প্রতীক, মেজর (অব.) ফজলুর রহমান বীর প্রতীক।

এ ছাড়া বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান, বীর প্রতীক, মেজর (অব.) সৈয়দ মিজানুর রহমান, পিএসসি, মেজর (অব.) এ কে এম হাফিজুর রহমান, মনোয়ারুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর, সদস্য সৈয়দ আবুল বাশার, সিরাজুল হক, মো. মনসুর আলী সরকার, অনিল বরণ রায়, নুরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ হিল সাফী, জাহাঙ্গীর কবির, প্রকৌশলী জাকারিয়া আহমেদ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে বের করা এবং ভুয়াদের চিহ্নিত করতে উদ্যোগ নেওয়া। বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্ভব শ্রদ্ধা করেন। এ কারণে শ্রদ্ধাকে পুঁজি করে অতীতে অনেকে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছেন। এটা যেন আর ভবিষ্যতে না ঘটে সেই ব্যবস্থা আমাদের করে যেতে হবে। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যখন এটাতে সুযোগ দেখল তখন এটাকেই ব্যবহার করল। এই প্রতিষ্ঠানগুলো আর প্রতিষ্ঠান থাকল না; খেলার পুতুল হয়ে গেল। খেলার পুতুল থেকে এগুলোকে আবার প্রতিষ্ঠান করাই আমাদের চেষ্টা ছিল।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ড. ইউনূস বলেন, ইতিহাস লিখতে পারা, ইতিহাসের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া একটি পবিত্র কাজ। এটা করতে পারা অত্যন্ত গর্বের। আর কয়েক বছর পর নতুন করে মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু তাদের স্মৃতি আমাদের ধরে রাখতে হবে। এজন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেদিকে আমাদের এখন থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যেন আমাদের জাতির মধ্যে অবিনশ্বর থাকে।