Logo
×

জাতীয়

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলা

Icon

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ২১:৩৯

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের সব স্কুলে চতুর্থ শ্রেণি থেকে হাইস্কুল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ডিভাইস আসক্তি থেকে মুক্তি এবং প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


সোমবার (৪ মে) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই। বিশেষ করে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, আমাদের সন্তানসম কিশোর-কিশোরীদের ডিভাইস আসক্তি থেকে দূরে রাখতে চাই। আর সেই লক্ষ্য পূরণে খেলাধুলাই হতে পারে অন্যতম কার্যকর মাধ্যম।” 


তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে গত ২ মে সিলেট থেকে একযোগে দেশের ৬৪ জেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি জেলা স্টেডিয়ামে নির্ধারিত আটটি ইভেন্টে অনূর্ধ্ব ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীরা অংশগ্রহণ করছে। জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে তা বিভাগীয় এবং পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে আয়োজন করা হবে। ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় স্তর পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে এই আয়োজন সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।


এছাড়া নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে দেশে ক্রীড়া শিক্ষাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে স্পোর্টস সায়েন্স, স্পোর্টস সাইকোলজি ও স্পোর্টস মেডিসিনসহ ক্রীড়াভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় চালু ও সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হলে খেলাধুলার পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবে।


ক্রীড়াক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়েও প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ক্রীড়া ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম।