ছুটির দিনেও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন, ৫-৬ ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে তেল
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:৩৩
পয়লা
বৈশাখের ছুটির দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা গেছে। তেল
পেতে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা
অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের।
ছুটি উপলক্ষ্যে অনেক পাম্প বন্ধ
থাকায় এই ভোগান্তি আরও
বেড়েছে।
মঙ্গলবার
(১৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এমন পরিস্থিতি
দেখা যায়।
তেজগাঁওয়ের
ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প এবং
মাতুয়াইলের মেসার্স খান অ্যান্ড চৌধুরী
ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি পাম্পে
মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির
লম্বা লাইন দেখা গেছে।
সকালে
সরেজমিনে দেখা গেছে, তেজগাঁওয়ের
ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের লাইন মহাখালী পর্যন্ত
পৌঁছেছে, আর প্রাইভেট কারের
লাইন পৌঁছেছে নাখালপাড়া পর্যন্ত। তেল পেতে চালকদের
কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
সকালে
মাতুয়াইলের মেসার্স খান অ্যান্ড চৌধুরী
ফিলিং স্টেশনেও দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা
গেছে।
এদিকে,
পয়লা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রাজধানীর অনেক পেট্রোল পাম্প
বন্ধ রয়েছে। এজন্য চালু থাকা পাম্পগুলোতে
অতিরিক্ত চাপ পড়েছে।
রাজধানীতে
তেল বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রোববার (১২
এপ্রিল) থেকে ঢাকার ৭টি
ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য কিউআর কোডভিত্তিক
মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাশ’ ব্যবহার করা
হচ্ছে।
এসব
পাম্পে অ্যাপ ব্যবহারকারীরা ১ হাজার টাকার
পর্যন্ত তেল নিতে পারছেন,
আর অ্যাপ ছাড়া সর্বোচ্চ ৫০০
টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।
রাজধানীর
যেসব স্টেশনে এই সেবা চালু
হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং
স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ
মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক
সার্ভিস স্টেশন।
উল্লেখ্য,
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের ফলে দেশের বাজারে
অস্বাভাবিকভাবে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে যায়। অনেকে
আবার ‘প্যানিক বায়িং’ করতে থাকেন। অর্থাৎ
প্রয়োজন না থাকলেও বেশি
বেশি তেল কিনছিলেন। এ
অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ৬ মার্চ
জ্বালানি তেলে রেশনিং প্রক্রিয়া
আরোপ করে সরকার।

logo-2-1757314069.png)
