Logo
×

জাতীয়

নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:১৭

নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর

বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, যখন নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেয়, স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় তারা পছন্দনীয় লোকজন বসান। তবে যে বিচার প্রক্রিয়া এখানে চলমান, সেটা যেন অবশ্যই অব্যাহত থাকে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, আমি এখানে নিয়োজিত হয়েছিলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে। এখন নতুন সরকার এসেছে। কাজের সুবিধার্থে তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা আছে। তারা নিশ্চয়ই সে অনুযায়ী এখানে তাদের লোক বসিয়েছেন। আমার পক্ষ থেকে তাদের জন্য সর্বাত্মক শুভকামনা থাকল। বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নতুনদের প্রতি সহযোগিতা থাকবে, পরামর্শ দরকার হলে আমি দেব। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে চাইব যে বিচার প্রক্রিয়া যেভাবে চলমান আছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে। দেশে এই অপরাধগুলো পুনরায় আর কখনও সংঘটিত হতে না পারে।

বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নতুনদের প্রতি সহযোগিতা থাকবে, পরামর্শ দরকার হলে আমি দেব। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে চাইব যে বিচার প্রক্রিয়া যেভাবে চলমান আছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে। দেশে এই অপরাধগুলো পুনরায় আর কখনও সংঘটিত হতে না পারে। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি শঙ্কার কোনো কারণ নেই। ছাত্রজনতা এবং ভুক্তভোগী মানুষের বিচারের যে তৃষ্ণা, তাদের প্রতি সুবিচার করার স্বার্থে এই বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহতভাবে সামনে অগ্রসর হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, শুরুতে এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে বলা হয়েছিল, যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে। সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, নতুন কেউ তার দায়িত্বে আসছেন। তখন তিনি সরকারকের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বলেন, পদত্যাগ করবেন কিনা। তখন তাকে পদত্যাগ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। বলা হয়, নতুন কেউ দায়িত্বে এলে এমনিতেই স্থলাভিষিক্ত হয়ে যাবে। তাজুল ইসলাম বলেন, তিনি পদত্যাগ করলে এটা নিয়ে সকলের কাছে ভিন্ন বার্তাও যেতে পারতো। তাই তিনিও পদত্যাগ করেননি।

এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল যে যুক্তি-প্রমাণ হাজির করেছে, তা পৃথিবীর যে কোনো দেশের আদালতেই উপস্থাপিত হলে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, পুরো প্রসিকিউশন একটি টিম হয়ে কাজ করেছে। এখানে কোনো গ্রুপিং ছিল না। বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তিনি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী। তাই তাকে বেকার থাকতে হচ্ছে না। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েই তিনি তার আইনপেশায় ফিরে যাবেন।