Logo
×

জাতীয়

ভোটের শৃঙ্খলায় মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবিসহ অন্যরা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৫৮

ভোটের শৃঙ্খলায় মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবিসহ অন্যরা

গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবিসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্প্রতি জারি করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

এবার সশস্ত্র বাহিনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অন্য বাহিনীর মতো ভূমিকা পালন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, অন্যান্য আইন এবং In Aid to Civil Power–এর ৭ ও ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী ভোটের দায়িত্ব পালন করবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যাতায়াতসহ মোতায়েন থাকবে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট সাত দিন। এ ছাড়া মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৫–১৬ জন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবেন ১৭–১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ভোটকেন্দ্রে থাকবেন ১৭ জন।

দুর্গম ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬–১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবেন ১৭–১৮ জন।

সশস্ত্র বাহিনী:

(ক) রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী সারা দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

(খ) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট (Nodal Point) ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্যান্য আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রয়োজনে নিরাপত্তা সংবেদনশীলতা বিবেচনায় নির্দিষ্ট কেন্দ্রে স্ট্যাটিকভাবে অথবা দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েনের অংশ হিসেবে কয়েকটি কেন্দ্রকে গ্রুপ করে মোবাইল টহলের আওতায় মোতায়েন হবে।

(গ) মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সসমূহ প্রয়োজনবোধে ভোটকেন্দ্রের প্রাঙ্গণে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করবে;

(ঘ) প্রাপ্যতা সাপেক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

(ঙ) উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপূর্ণ এলাকা অনুযায়ী কোস্ট গার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করবে।

(চ) ঝুঁকি বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে প্রতিটি জেলায় নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসংখ্যা কম বা বেশি করা যাবে, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে;

(ছ) সড়ক ও মহাসড়কে একক অথবা যৌথভাবে নিয়মিত ও অনিয়মিতভাবে (স্ট্যাটিক ও মোবাইল) চেকপোস্ট অপারেশন পরিচালনা করা হবে।

 (জ) বিমান বাহিনী প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও বাহিনীসমূহের অনুরোধে উড্ডয়ন সহায়তা দেবে।

(ঝ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান চূড়ান্ত করা হবে

এবং (ঞ) বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে চাহিদামতো আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।