নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে—পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রত্যাশা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৫৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৫৫ শতাংশের বেশি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। রোববার রাজধানীর কাওরানবাজারের একটি হোটেলে কূটনৈতিক রিপোর্টারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জাতিসংঘের ইলেকশন প্রজেক্টের সহায়তায় এমআরডিআই ও ডিকাব যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
ভোট বর্জনের আহ্বান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইচ্ছাকৃত ভোট বর্জন কিংবা বিভিন্ন কারণে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার ঘটনা সব নির্বাচনেই থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব নেতিবাচক প্রচারণা ভোটের হারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে তিনি মনে করেন না। তিনি ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেন, ওই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৫৫ শতাংশ। তার বিশ্বাস, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সেই হার ছাড়িয়ে যাবে।
নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা ও বিদেশিদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, শুধু বিদেশিরাই নয়, সরকারও পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যেখানে যে ঘটনা ঘটছে, সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের এসব পদক্ষেপ গণমাধ্যমে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিদেশি কূটনীতিকদের তৎপরতা নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন এলেই কূটনীতিকদের তৎপরতা একটি স্বাভাবিক চর্চায় পরিণত হয়েছে। সমাজের একটি অংশও বিদেশিদের বক্তব্য প্রত্যাশা করে। তাই এ বিষয়ে তাদের দোষারোপ করার সুযোগ নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক আলোচনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, শুল্ক কমানো নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে কবে এ বিষয়ে ঘোষণা আসবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। পাশাপাশি তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে চারটি বোয়িং উড়োজাহাজ লিজে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত ঢাকা-ওয়াশিংটন চুক্তি শিগগিরই সম্পন্ন হবে।
অনুষ্ঠানে নিজের কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার সংক্রান্ত গুজব উড়িয়ে দিয়ে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, দায়িত্ব পালনকালেই তার পাসপোর্ট তার কাছেই রয়েছে। এ বিষয়ে প্রচারিত খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও তিনি দাবি করেন।

logo-2-1757314069.png)
