Logo
×

শিক্ষা

‘সিন্ডিকেট কোনো অমূলক নয়, আমার সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন’ : ইবি উপাচার্য

Icon

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ২২:০৩

‘সিন্ডিকেট কোনো অমূলক নয়, আমার সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন’ : ইবি উপাচার্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভাইস চ্যান্সেলরকে কেন্দ্র করে একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়। এটি অমূলক কিছু নয়। ভাইস চ্যান্সেলর কারও না কারও সঙ্গে তো পরামর্শ করতেই পারেন। তিনি বলেন, সিন্ডিকেট শব্দটিকে কেউ ইতিবাচকভাবে নেয় না। সিন্ডিকেট তো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য একটি বডি। নিশ্চয়ই আমি কোনো না কোনো সিন্ডিকেটের ভেতরে থাকবো। আমার সিন্ডিকেট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে রুলস আছে, সেটিই আমার সিন্ডিকেট।


শনিবার (১৬ মে) দুপুর ৩টার দিকে উপাচার্যের অফিস কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।


সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এয়াকুব আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি, প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকবৃন্দ ।


চব্বিশের অভ্যুত্থানকে স্মরণ করে ভিসি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের স্মৃতিসৌধ রয়েছে। ১৯৫২ সালে যারা ভাষা আন্দোলন করেছেন, তাদের স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি যিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তাঁরও ভিত্তিপ্রস্তর এখানে রয়েছে। যেদিন এই পূর্ব বাংলা, আজকের বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে, তার জন্যও স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় জুলাই শহীদদের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন ফটকের সামনে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সেটি খুব শিগগিরই কার্যকর হতে যাচ্ছে।


বিগত প্রশাসন কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির পরিবর্তন বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির বিষয়ে আমি শুনেছি। তবে অফিশিয়ালি এখনো অ্যাড্রেস করিনি। যদি প্রয়োজন হয়, পরিবর্তন করা হবে। যদি প্রয়োজন হয়, সংযোজন করা হবে। এটিকে ইফেক্টিভ করার জন্য আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 


এছাড়া জুলাইবিরোধী শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে যেহেতু দুটি বিষয়ে (শিক্ষক-কর্মকর্তা) অলরেডি অ্যাড্রেস করা হয়েছে, সংগত কারণে শিক্ষার্থীদের ব্যাপারেও সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া হতে পারে। যেহেতু শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা এখনই চূড়ান্ত কোনো কথা বলছি না। তবে আমাদের বিভিন্ন বডির সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করে অবশ্যই এ ব্যাপারে একটি সন্তোষজনক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।


সভায় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে তোমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা সম্ভব। নিজের ঘরের সমস্যাটা আমরা নিজেরাই সমাধান করতে পারলে সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির জন্য অনেক বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।