Logo
×

শিক্ষা

ইবিতে দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত

Icon

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ২২:১৪

ইবিতে দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের (আইইউএসসি) উদ্যোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) ও মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে পূবালী ব্যাংক পিএলসির পৃষ্ঠপোষকতা এবং সোহান’স কোচিংয়ের সহযোগিতায় এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।


উৎসবে দেশের শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। আয়োজনের মধ্যে ছিল প্রজেক্ট প্রদর্শনী, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, পোস্টার প্রেজেন্টেশন, ট্রেজার হান্ট, রুবিক্স কিউব প্রতিযোগিতা, সায়েন্স বিঙ্গো, দাবা প্রতিযোগিতা এবং ৪ডি ও ৯ডি মুভি শো।


প্রথম দিনে র‍্যালির মাধ্যমে উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। পরে একযোগে এক্সিবিশন হলে প্রজেক্ট শোকেস, সায়েন্স গ্যালারিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন, সেমিনার রুমে থ্রি মিনিট প্রেজেন্টেশন এবং ইনডোর গেমস রুমে দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মূল অডিটোরিয়ামে সায়েন্স বিঙ্গো ও থিয়েটার রুমে ৪ডি ও ৯ডি মুভি শো প্রদর্শিত হয়।


দ্বিতীয় দিনে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও রুবিক্স কিউব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসজুড়ে ট্রেজার হান্ট আয়োজন করা হয়। বিকেলে মুভি শো শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।


সমাপনী অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম। ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহনেওয়াজ খান এবং ‘চিফ প্যাট্রন’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী।


সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “আমরা আশির দশকে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি এবং বর্তমান সময়ে যারা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে, তাদের মধ্যে চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গির একটি সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এই পরিবর্তনের পেছনে বিজ্ঞানের জ্ঞান ও চর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এজন্য আমরা যত বিজ্ঞান চর্চা করব, সমাজ তত এগিয়ে যাবে।”


তিনি আরও বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু পাঠদানকেন্দ্রিক নয়, গবেষণামুখী হওয়াও প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”