Logo
×

অর্থ ও বাণিজ্য

১৩ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, উদ্বোধন ১০ মার্চ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:২১

১৩ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, উদ্বোধন ১০ মার্চ

পরীক্ষামূলকভাবে দুটি জেলার দুটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিলেও শেষ পর্যন্ত ১৩টি উপজেলায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সে লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন মারফত একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক, পাইলটিংয়ের জন্য উপজেলা নির্বাচন, সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়নের লক্ষ্যে সভার আয়োজন করা হয়। সভায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে পাইলটিং আকারে উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে পাইলটিং আকারে উপকারভোগী নির্বাচনের বিষয়ে সভায় মত প্রকাশ করেন।

অর্থমন্ত্রী উপকারভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে এনআইডিতে রক্ষিত তথ্য ব্যবহার করা যায়, তবে এনআইডিতে ব্যক্তির তথ্যাদি থাকলেও আর্থিক তথ্যাদি উল্লেখ নেই বিধায় পাইলটিংয়ের জন্য নির্বাচিত ওয়ার্ডসমূহে সংশ্লিষ্ট কমিটি কর্তৃক সরেজমিনে যাচাই-বাছাইপূর্বক উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। তিনি জানান, সুবিধাভোগীদের হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত এই চার ভাগে বিভক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমটি সবার জন্য (সর্বজনীন) চালু করার বিষয়ে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুরুতে পিএমটি স্কোর এর ভিত্তিতে হতদরিদ্র/দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে, তবে বিষয়টি সময়সাপেক্ষ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সভাপতি জানান, শুরুতে ১৩ উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে পাইলটিং আকারে এ কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে। তিনি এ বিষয়ে দুটি প্রস্তাব দিয়ে উল্লেখ করেন যে, প্রস্তাব-১ এর আওতায় হতদরিদ্র/দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং প্রস্তাব-২ এর আওতায় সব জনগোষ্ঠীকে ফ্যামিলি কার্ড এর আওতায় আনা যেতে পারে। এ পর্যায়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরেজমিনে এনআইডি এর তথ্য যাচাই করে সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হলে Targeting Error দূর করা সম্ভব হবে। সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, বর্তমানে ২৩টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ থেকে ৯৫টি কার্যক্রমের আওতায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে Targeting Error প্রায় ৫০ শতাংশ যার ফলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হয়। সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জানান, সব ওয়ার্ডের প্রতিটি খানার তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।