Logo
×

অর্থ ও বাণিজ্য

পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি আর চলবে না, অর্থনীতিতে গণতন্ত্র ফেরাতে হবে: আমীর খসরু

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:১০

পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি আর চলবে না, অর্থনীতিতে গণতন্ত্র ফেরাতে হবে: আমীর খসরু

দেশে আর কোনোভাবেই ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ (Patronage Economy) চলতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘‘অর্থনীতিতে গণতন্ত্র আনতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে সবার জন্য, গুটিকয়েকের জন্য নয়।’’

​বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিজের প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

​নতুন অর্থমন্ত্রী দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান অবস্থার চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘‘আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। তাই সবার আগে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়, তা নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।’’

​তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করতে পারলে আমরা যত বড় কর্মসূচিই গ্রহণ করি না কেন, তা কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনবে না।’’

​অর্থনীতিকে সবার জন্য উন্মুক্ত করার ওপর জোর দিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘‘অর্থনীতিতে অবশ্যই ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ থাকতে হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ যেন অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় এবং এর সুফল ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।’’

​তিনি আরও বলেন, ‘‘অতীতের পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি করতে গিয়ে দেশের অর্থনীতি ‘ওভার রেগুলেটেড’ (অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত) হয়ে গেছে। এটাকে সফল করতে হলে সিরিয়াসলি ‘ডিরেগুলেটেড’ (সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো) বা উদারীকরণ করতে হবে। যাতে সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।’’

অপশন ২: সংস্কার ও প্রাতিষ্ঠানিক দিকের ওপর জোর দিয়ে

শিরোনাম: আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা খুব খারাপ, আগে পুনরুদ্ধার করতে হবে: নতুন অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়া নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা বর্তমানে খুবই খারাপ। তাই সবার আগে এগুলোকে পুনরুজ্জীবিত (Reactive) ও পুনরুদ্ধার করাই হবে সরকারের প্রধান কাজ।

​বুধবার সচিবালয়ে প্রথম অফিস করতে এসে সাংবাদিকদের কাছে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।

​অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে কোনো উন্নয়ন কর্মসূচিই কাজে আসবে না।’’

​তিনি স্পষ্টভাবে জানান, দেশে আর পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দেওয়া হবে না। অর্থনীতিতে গণতন্ত্র ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘রাজনীতির কারণে অর্থনীতি অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত (Over Regulated) হয়ে পড়েছিল। এখন সময় এসেছে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার (Deregulation)। আমরা অর্থনীতিতে উদারীকরণ নীতি গ্রহণ করব, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিক অর্থনীতির সুফল পায় এবং অংশগ্রহণের সমান সুযোগ পায়।’’