এস আলম-পিকে হালদারের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য ৯ আগস্ট
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ২১:০০
জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩২ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের মামলায় একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষ্য দেন ফাস্ট ইসলামী সিকিউরিটি ব্যাংক পিএলসির অ্যাসিস্টটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ। এরপর কারাগারে থানা আসামি রাশেদুল হকের আইনজীবী নিয়াজ মোরশেদ তাকে জেরা করেন।
অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে আইনজীবী জেরার জন্য সময় আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর আদালত আসাদুল আজাদের অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৯ আগস্ট দিন ধার্য করেন। এ মামলায় চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। অন্য আসামিরা পলাতক। গত বছরের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং নামক নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১৬ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

logo-2-1757314069.png)
