রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধ
হচ্ছে না রায়, ডিজিটাল এভিডেন্স জমা দেবে প্রসিকিউশন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৪:২০
চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় একজনকে গুলি ও দুজনকে
হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নির্ধারিত রায় ঘোষণা হচ্ছে
না। এ মামলায় নতুন
করে ডিজিটাল এভিডেন্স জমা দেওয়ার আবেদন
করেছে প্রসিকিউশন।
বুধবার
(৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা
মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক
প্যানেলে এ আবেদন করা
হয়।
প্রসিকিউশনের
পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর শাইখ
মাহদী। এ মামলায় রায়
পিছিয়ে নতুন ডিজিটাল এভিডেন্স
নেওয়ার আবেদন করেন তিনি। একইসঙ্গে
চার সপ্তাহ সময় চান। তবে
আসামিপক্ষে আইনজীবী না আসায় চূড়ান্ত
তারিখ নির্ধারণে অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। দুপুরে এ নিয়ে শুনানি
হওয়ার কথা রয়েছে।
মানবতাবিরোধী
অপরাধের এ মামলায় রায়
ঘোষণার জন্য আজকের দিন
নির্ধারণ ছিল। গত ১৫
ফেব্রুয়ারি এ দিন ঠিক
করেন ট্রাইব্যুনাল-১।
এ
মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট আসামি পাঁচজন।
এর মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার।
পলাতক
অন্যরা হলেন- খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম,
রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর
রহমান ও রামপুরা থানার
সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম
ভূঁইয়া। হাবিবসহ পলাতক চারজনের পক্ষে লড়ছেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
এর
আগে, ৩ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্ক
শেষ হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ,
ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দিসহ নথিপত্রে পাঁচ আসামির সম্পৃক্ততা
স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছিল
প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চাওয়া হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও নিজেদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে বেকসুর
খালাস চেয়েছেন।
গত
বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচ
আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার
শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
একই বছরের ৭ আগস্ট ফর্মাল
চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
উল্লেখ্য,
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই প্রাণ
বাঁচাতে রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশে থাকা একটি
নির্মাণাধীন ভবনে ওঠেন আমির
হোসেন নামের এক তরুণ। ওই
সময় পুলিশও তার পিছু পিছু
যায়। একপর্যায়ে ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে
থাকলেও তার ওপর ছয়
রাউন্ড গুলি ছোড়েন এক
পুলিশ সদস্য। এতে গুরুতর আহত
হন তিনি। একই দিন বনশ্রী
এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন নাদিম
ও মায়া ইসলাম।

logo-2-1757314069.png)
