পরে পার্লারের মালিক উজ্জ্বল কুমার পালের স্ত্রী সীমা রানী পাল ও বাড়ির মালিক মানিক চন্দ্র পালকে বিষয়টি জানানো হয়। মানিক চন্দ্র পাল দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় নাদিয়াকে দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভোর রাতে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
‘ওমেন্স পারসোনা বিউটি পার্লারের’ মালিক সীমা রানী পাল জানান, নাদিয়া প্রায়ই ফোনে কথা বলত, তবে বিষয়টি তার ব্যক্তিগত হওয়ায় তারা এ নিয়ে কখনো প্রশ্ন করেননি। ধারণা করা হচ্ছে, সৌদিপ্রবাসী ওই যুবকের সঙ্গে নাদিয়ার কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা সফিকুল ইসলাম বলেন, আমি ঢাকার একটি হোটেলে চাকরি করি। সকালে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে থানায় এসেছি। কী কারণে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করল, তা এখনো জানতে পারিনি।
নিহতের মা তাছলিমা বেগম জানান, তার মেয়ের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। অনেকদিন আগে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মানসিকভাবে কিছুটা বদমেজাজি হয়ে পড়েছিল। সে কারণেই হয়ত এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। গতকাল বিকেলে বাড়ি থেকে সে কর্মস্থলে এসেছিল।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

logo-2-1757314069.png)
