জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের অধিকাংশই শ্রমিক: প্রতিমন্ত্রী অমিত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ২২:৪০
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের অধিকাংশই শ্রমিক। তাই আমাদের অঙ্গীকার
শ্রমিকদের কাজ ফিরিয়ে দেয়ার। কর্মসংস্থান সংকটের সমাধান ও বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করা। সরকার চেষ্টা করছে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার- এসব কথা বলেছেন বিদ্যুৎ,
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার (১ মে) সকালে যশোর জেলা প্রশাসন আয়োজিত মহান মে দিবস উপলক্ষে র্যালি পূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন,
সরকার কৃষক কার্ড,
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের পরিবারে আরও একটু স্বচ্ছলতা আনার চেষ্টা করছে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দিয়েছে সরকার। হাওর অঞ্চলে যে সমস্ত কৃষকের অতিবৃষ্টির কারণে ফসল হানি হয়েছে তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার জন্য আগামী তিন মাস সরকারের তরফ থেকে তাদের একটি বিশেষ খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। এই উদ্যোগগুলো শ্রমিকদের জন্য,
সাধারণ প্রান্তিক মানুষের জন্য। এসব উদ্যোগ একটি সুখি সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গড়ার সহায়ক হবে।
বক্তব্য শেষে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে মহান মে দিবসের বর্ণাঢ্য র্যালি উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
র্যালি ও আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখ্যে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল হাসান,
পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম,
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু,
সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে র্যালি শেষে বিদ্যুৎ,
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত শহরের গুরুদাস বাবু লেনের পুননির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে যশোর পৌরসভার বেহাল সড়কগুলো সংস্কার করে মানুষের চলাচলের উপযোগী করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন,
যশোর পৌরসভার অনেক পুরাতন একটি পৌরসভা কিন্তু সড়কগুলোর অবস্থা অত্যান্ত নাজুক। আমার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি পর্যায়ক্রমে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কগুলো সংস্কারের। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পৌরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে আমাদের কাজ চলমান। বিগত বর্ষা মৌসুমের চেয়ে এবার পৌরবাসীর ৫০ ভাগ কষ্ট লাঘব হবে। আমি পৌরবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই আমাদের কাজ সফল হলে তাদের কষ্ট লাঘব হবে ইনশাআল্লাহ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোজেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু,
সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন,
পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম,
পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান,
জেলা বিএনপির নেতা অ্যাডভোকেট হাজী আনিছুর রহমান মুকুল প্রমুখ।

logo-2-1757314069.png)
