ঈদে
পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে
ঘরমুখো যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়
থাকলেও কোন প্রকার দুর্ভোগ
ছাড়াই নির্বিঘ্নে এই দুই নৌরুট
দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যানবাহন
ও যাত্রীরা পার হয়ে যাচ্ছে।
নৌরুটে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফেরি-লঞ্চ থাকা
থাকায় ঘাটে দীর্ঘ সময়
অপেক্ষা না করেই মুহুর্তের
মধ্যে নদী পার হয়ে
যাচ্ছে।
আজ
বুধবার দুপুরে স্বস্তির ঈদ যাত্রা দেখতে
দুইটি ঘাট পরিদর্শনে আসেননৌ
পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো.রাজিব আহসান।
এসময় তিনি ঘাট গুলোর
সার্বিক পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ
করেন।
সরেজমিনে
দেখা গেছে, বেলা বাড়ার সাথে
সাথে পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে
যাত্রীদের উপচে পড়া ভীর
জমে। যাত্রীরা সবাই ফেরি লঞ্চে
হুমড় খেয়ে উঠছে। আজ
রাজধানী ও আশেপাশের জেলা
গুলোর গার্মেন্স গুলো ছুটি হওয়ায়
এসকল যাত্রীরা লোকাল বাসে এসে ঘাট
এলাকায় নামছে। এ সকল ঘরমুখো
যাত্রীরা নদী কোন প্রকার
ভোগান্তি ছাড়াই নদী পার হয়ে
যার যার গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে।
তবে
দুরপাল্লার বাসও ছোট গাড়ির
তেমন চাপ দেখা যায়নি।
পরিদর্শন
শেষে প্রতিমন্ত্রী মো.রাজিব আহসান
সাংবাদিকদের বলেন, শুধু পাটুরিয়া কিংবা
আরিচা ঘাটেই ঘরমুখো যাত্রীদের স্বস্তির যাত্রা হচ্ছে এমন না। এ
চিত্র দেশের সব নৌ পথ
ও সড়ক পথেও। আমাদের
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর পরিশ্রম ও
নানা মুখী পদক্ষেপ নেওয়ার
জন্য এরকম ঈদ যাত্রা
সম্ভব হয়েছে।
তিনি
আরো বলেন, কয়েকদিন আগেই আমি নিজে
এসে সব ঘাটগুলোর খোঁজ
নিয়েছিলাম। ছোটখাটো সকল সমস্যা সমাধান
করা হয়েছিলো। বহরে যুক্ত করা
হয়েছিলো অতিরিক্ত ফেরি। আমাদের চ্যালেঞ্চ এখন ঈদ পরবর্তীতে
এ সকল মানুষদের স্বস্তিতে
কর্মস্থলে ফিরে আসার বিষয়টি
নিশ্চিত করা।
বিআইডব্লিউটিসির
আরিচা কার্যলয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম মোহাম্মদ আব্দুস সালাম কালের কন্ঠকে বলেন, দুপুরের পর থেকে যাত্রীদের
চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে
নৌরুটে ১৭ টি ছোট-বড় ফেরি থাকায়
এ চাপ সামাল দিতে
কোন প্রকার বেগ পেতে হচ্ছে
না। এদিকে পর্য়াপ্ত সংখ্যক লঞ্চ থাকায় যাত্রীদের
ঘাটে পারের অপেক্ষায় বসে থাকতে হচ্ছে
না।

logo-2-1757314069.png)
