Logo
×

জেলার খবর

স্বামী-সন্তানকে পাশের রুমে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ০০:৩৬

স্বামী-সন্তানকে পাশের রুমে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

দাম্পত্য কলহের জেরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।

ওই শিক্ষার্থীর নাম দীপা দাস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের   ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান নিহতের স্বামী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে আজ বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে দীপার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে দীপা তার স্বামী ও সন্তানকে একটি ঘরে আটকে রেখে পাশের ঘরে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। পরবর্তীতে তার স্বামী বাড়ির দারোয়ান ও আশপাশের লোকজন ডেকে ঘরের দরজা ভেঙে পাশের ঘরে গিয়ে দেখেন, স্ত্রী ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন, দীপার আত্মহত্যার বিষয়টি আমরা সোমবার বিকেলে জানতে পারি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আমরা বাংলা বিভাগের শিক্ষকরা সদর হাসপাতালে গিয়ে দিপার মরদেহ মর্গে পড়ে থাকতে দেখি। আজ বিকেলে আমরা গিয়েছিলাম। জানতে পেরেছি ময়নাতদন্ত শেষে পরিবার তার মরদেহ নিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে সোমবার বিকেলে সে বাসার এক রুমে স্বামী ও তার সন্তানকে আটকে রেখে অন্যরুমে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানতে পেরেছি। দীপার এক সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, দীপা দাস ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। আমিও জানতে পেরেছি, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদের কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় আমরা এবং বাংলা বিভাগ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।