Logo
×

জেলার খবর

কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

Icon

জাফর আলম, কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৫৯

কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে অংশ নেওয়া ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনের নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বিজয়ী ও তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছাড়া বাকি প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এ জামানত হারান। শতাংশের হিসাবে যা দাঁড়ায় ৫৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ।কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিস জানিয়েছেন, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশ (১/৮) ভোট না পেলে তার নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী এবার কক্সবাজারের চারটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানত সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

শুক্রবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান চারটি আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার-১ :

এ আসনে (চকরিয়া–পেকুয়া) মোট প্রার্থী ছিলেন তিনজন। প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৩৭। জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ৪৫ হাজার ৩০৪ ভোট। বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দীন আহমদ ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সারওয়ার আলী কুতুবী পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২৮ ভোট। ফলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

কক্সবাজার-২:

এ আসনে (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩২ হাজার ৭০৯। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল অন্তত ২৯ হাজার ৮৮ ভোট। বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিয়াউল হক পেয়েছেন ৮ হাজার ৭৯৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. মাহমুদুল হক ৭৫৭ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের এস এম রোকনুজ্জামান খান পেয়েছেন ১৯৭ ভোট। ফলে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

কক্সবাজার-৩ :

এ আসনে (সদর–রামু–ঈদগাঁও) মোট প্রার্থী ছিলেন ছয়জন। প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯৪। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৪৪ হাজার ৫৭৪ ভোট।বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদুল আলম বাহাদুর ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ১৪৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ৯৪৭ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া ৬০২ ভোট এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার ৩৬৭ ভোট। ফলে এই চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

কক্সবাজার-৪ :

এ আসনে (উখিয়া–টেকনাফ) প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ২৩১। জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ৩১ হাজার ৯০৩ ভোট। চার প্রার্থীর মধ্যে বিজয়ী ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল হক পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৮ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাইফুদ্দিন খালেদ পান ৩৭৯ ভোট। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিধি অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত হওয়া এসব জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।