Logo
×

জেলার খবর

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীকে অপহরণ করে মারধরের অভিযোগ

Icon

শাওন মোল্লা, জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২০

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীকে অপহরণ করে মারধরের অভিযোগ
গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীকে অপহরণ করে মারধরের অভিযোগ

জামালপুর- (মেলান্দহমাদারগঞ্জ) সংসদীয় আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়াকে অপহরণ করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

জামালপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, দুপুরের পর থেকে লিটন মিয়ার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

নিখোঁজ লিটন মিয়া মেলান্দহ উপজেলার ছবিলাপুর গ্রামের কোরবান আকন্দের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার মহিরামকুল এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার সঙ্গে কথা বলেন।

সময় সাংবাদিকদের কাছে লিটন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে জামালপুরে ফিরে শহরের নয়াপাড়া পাঁচরাস্তা মোড়ে স্পাইসি ড্রাগন নামের একটি হোটেলে খাবার খান। পরে তিনি হেঁটে বিজয় চত্বরে যান এবং সেখান থেকে মেলান্দহ রোডে কিছুদূর এগোতেই একটি মাইক্রোবাসে থাকা - জন যুবক তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয়। এরপর তার চোখ হাত বেঁধে মারধর করা হয় এবং নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাকে মেলান্দহ উপজেলার মহিরামকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ফেলে রেখে যায়।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছিলেন। তার ব্যক্তিগত গাড়ি দুই ঘণ্টা পর ফেরার কথা থাকলেও সেটি ফিরেছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। এছাড়া সোমবার অপরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কেন আগে অবহিত করা হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে লিটন মিয়া সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুল রহমান বলেন, ট্রাক প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী লিটন মিয়াকে উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।