Logo
×

বিবিধ

শাবিপ্রবিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত

Icon

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১৭:০৯

শাবিপ্রবিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাকিস্তান পড়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।


রোববার (১৭ মে) সকাল ১১টায় নতুন সামাজিক বিজ্ঞান ভবনে নিচ তালায় বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানে হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ. এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী এ অনুষ্ঠান  উদ্বোধন করেন।


এর আগে সকাল ১০ টায় প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্সে কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.ইসমাইল হোসেন এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলামসহ পাকিস্তানের ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি। 


এসময় শাবিপ্রবির সঙ্গে পাকিস্তানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ) এবং আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মেমোরেন্ডাম অব ইন্টারেস্ট (এমওআই) স্বাক্ষরিত হয়।


অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, “আমি মনে করি এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে এবং একাডেমিক মহলেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে গিয়ে আমাদের জীবনধারা সম্পর্কে জানবে, একইভাবে আমরাও বাংলাদেশের মানুষ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাব।”


তিনি আরও বলেন, "এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও শিক্ষা বিনিময়ের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।"


শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বর্তমান বিশ্বে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোরের মতো উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পরিবেশে নিজেদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ানোর সুযোগ পাবে।”


তিনি আরও বলেন, “শাবিপ্রবি সবসময় আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। আমরা আশা করি, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে গবেষণা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও জোরদার করবে।”